Depression
ভীষণ ভীষণ বিষন্নতা। চারদিক থেকে জাপ্টে ধরতে চাইছে। কাজে মন বসাতে পারি না। এটাই তো সময়া। কাজ করতে তো আমার ভালই লাগে। ওহ! ওষুধ খাওয়া বাদ পড়ছে অনেকদিন ধরে।
কাজ কাজ কাজ। অনেক অনেক কাজ করতে হবে। মানুষের সাথে মিশতে , কথা বলতে হবে। পালিয়ে গেলেই সব আবার তোমায় ছঁকে ধরবে। একলা হলে চলবে না। নিজেকে ঘিরে রাখ। একলা থেক না। ভুতের ভয়।
শুরু করতে হয় এই এখন থেকেই। কাজে ডুবে যাও। কাজেই মুক্তি...
আগে অনেকবার চেষ্টা করেছি। যেন মিছিমিছি খেলার মত। এই মূহুর্ত এই সময় এখন একটা চ্যালেঞ্জ। হেরে যাব? হেরে গেলে সেই অপরাধবোধ নিয়ে সারা জীবন বঁচে থাকতে হবে। আমি মুহুর্তের অপরাধবোধ সইতে পারি না, আমাকে কিভাবে দুর্বল করে ফেলে , আর সারা জীবন? অসম্ভব। জীবনের কিছু চাহিদা এই মূহুর্তে আমার কাছে। এই এই কাজ গুলা আমাকে করতেই হবে, ঠিকঠাক মত। যদি করতে পারি সারা জীবন আমি সেটা নিয়ে গর্ব করতে পার যে সময়ের প্রয়জনে আমি তখন পেরেছিলাম ঠিক জিনিষ্টা করতে। সঠিক জিনিষটা করা সব সময়ই কঠিন। এজন্যই যারা সেটা করতে পারে আলাদা। নিজেকে তো সেখানেই আমি দেখতে চাই। দুর্বলদের আমি ঘৃণা করি। দুর্বলদের দলে আমার ঠাঁই হওয়া কিছুতেই চলবে না। কিছুতেই না। আজকে এখানে নিজের কাছে কিছু প্রতিজ্ঞা করব, যেটা আমি রাখব।
১ - পি এইচ ডি শেষ হবার আগ পর্যন্ত আমি ফেসবুকে আর লগ ইন করব না। এই মূহুর্ত থেকে ফেসবুক বাদ।
২ - আমি কোন ব্লগ বা পত্রিকাও পড়ব না।
৩ - আমি প্রতিদিন ৫ঃ৩০ এ বিছানা ছাড়বো, ব্যায়াম করে খেয়ে দাঁত মেজে ৬।৩০ এর মাঝে কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যাব। এটা শুধু পি এইচ ডি নয় সারা জীবনের জন্য প্রতিজ্ঞা।
৪ - আমি সবার সাথে কথা বলব, মুখোমুখি নয়ত ফোনে। সুবক্তা হব।
৫ - প্রতিদিনের দিনলিপি ব্লগে লিখে রাখব রাতে ঘুমাবার আগে। যত রাতই হোক দাঁত মেজে এসে সারাদিনের কথা-চিন্তা ভাবনা, আগামীকালের পরিকল্পনা লিখে ফেলে তারপর ঘুমাতে যাব, আয়োজন করে। এটাও জীবন মেয়াদী প্রতিজ্ঞা।
একজন মানুষের কিছু অভ্যাস কিছু প্রতিজ্ঞা তাকে আলাদা করে। আমার স্বভাব কেমন যেন পানির মত, অতিরিক্ত তরল, কোন আকার নেই। এক সময় সেটা নিয়ে গর্ব করেছি, কিন্তু এখন আর সেটা যুক্তিযুক্ত মনে হচ্ছে না। নিজেকে পরিচয়হীন বস্তু বোধ হচ্ছে। আমি কে? আমার বৈশিষ্ট্য কি কি? কিছুই আলাদা করতে পারছি না। আমি যেন কেবল এক্তা ফেসবুকের দাস হয়ে দিন কাটিয়েছি গত কয়েকটি বছর। দাসত্বের শিকল কখনো ভাল নয়।
আমার পরিচিতি আমি চাই একজন কর্মোদ্দীপিত মানুষ হিসেবে, যে কিনা সকল কাজের কাজি, কোন বাধাই যাকে থামাতে পারে না। যে সারাক্ষণ নান রকম উদ্যোগে নতুন কিছু সৃষ্টিতে ব্যাস্ত। এমন একজন মানুষ যাকে দেখলে অন্যরা অনুপ্রাণিত হয়। আমি এমন ছিলাম, এমন থাকব। আগে আমার বৃত্ত ছোট ছিল তাই অল্পের মাঝে সহজেই আলাদা করা যেত। এখন বিশাল বৃত্তে এসে এমন আরও অনেক মানুষের ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে বিষন্ন বোধ করছি। বড় বৃত্তে নিজেকে আলাদা করে চেনাতে হলে সেরকমই পরিশ্রম করে নিজেকে আলাদা করতে হবে। বিষন্নতা নয়। এখন তোমার সীমানা আরও অনেক বিশাল, সেটা ছুঁতে ঠিক তেমনই অধ্যাবসায় লাগবে। আর তুমি জানো তুমি লক্ষ্য ঠিক করতে পারলে তুমি একদিন না একদিন অবশ্যই সেখানে পৌঁছবে।
আমার স্বপ্নের সীমানা ছিলো intel এ চাকরি করা। সেটা পেয়ে যাওয়াতেই কি স্থবিরতা চলে এসেছে। মনে হচ্ছে এখন যা করছি সব'ই মিছে। কিন্তু এই যে ইউনিভার্সিটি, ওকরিজ এর মানুষগুলো এদের মাঝে তুমি তো এই শেষ মূহুর্তে এসে একটা বিশ্রী ভাবমূর্তি রেখে যেতে পারো না। এরা তোমার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ যাদের সাথে তুমি সারা জীবন যোগাযোগ রাখবে। তার চে' বড় কথা এখন তুমি একটা যা তা কাজ করে চলে গেলে কি সারা জীবন তুমি আফসোস করে কাটাবে? কোন ছাড় রাখবে না, কোন অনুশোচনা করার স্থান নেই এই ছোট্ট জীবনে। এক্টাই জীবন। যতগুলা সুযোগ জীবনে আসবে সবগুলোর সর্বোচ্চ সদ্বব্যাবহার করবে। So, those who knew would remember you as an idol to follow.
কাজ কাজ কাজ। অনেক অনেক কাজ করতে হবে। মানুষের সাথে মিশতে , কথা বলতে হবে। পালিয়ে গেলেই সব আবার তোমায় ছঁকে ধরবে। একলা হলে চলবে না। নিজেকে ঘিরে রাখ। একলা থেক না। ভুতের ভয়।
শুরু করতে হয় এই এখন থেকেই। কাজে ডুবে যাও। কাজেই মুক্তি...
আগে অনেকবার চেষ্টা করেছি। যেন মিছিমিছি খেলার মত। এই মূহুর্ত এই সময় এখন একটা চ্যালেঞ্জ। হেরে যাব? হেরে গেলে সেই অপরাধবোধ নিয়ে সারা জীবন বঁচে থাকতে হবে। আমি মুহুর্তের অপরাধবোধ সইতে পারি না, আমাকে কিভাবে দুর্বল করে ফেলে , আর সারা জীবন? অসম্ভব। জীবনের কিছু চাহিদা এই মূহুর্তে আমার কাছে। এই এই কাজ গুলা আমাকে করতেই হবে, ঠিকঠাক মত। যদি করতে পারি সারা জীবন আমি সেটা নিয়ে গর্ব করতে পার যে সময়ের প্রয়জনে আমি তখন পেরেছিলাম ঠিক জিনিষ্টা করতে। সঠিক জিনিষটা করা সব সময়ই কঠিন। এজন্যই যারা সেটা করতে পারে আলাদা। নিজেকে তো সেখানেই আমি দেখতে চাই। দুর্বলদের আমি ঘৃণা করি। দুর্বলদের দলে আমার ঠাঁই হওয়া কিছুতেই চলবে না। কিছুতেই না। আজকে এখানে নিজের কাছে কিছু প্রতিজ্ঞা করব, যেটা আমি রাখব।
১ - পি এইচ ডি শেষ হবার আগ পর্যন্ত আমি ফেসবুকে আর লগ ইন করব না। এই মূহুর্ত থেকে ফেসবুক বাদ।
২ - আমি কোন ব্লগ বা পত্রিকাও পড়ব না।
৩ - আমি প্রতিদিন ৫ঃ৩০ এ বিছানা ছাড়বো, ব্যায়াম করে খেয়ে দাঁত মেজে ৬।৩০ এর মাঝে কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যাব। এটা শুধু পি এইচ ডি নয় সারা জীবনের জন্য প্রতিজ্ঞা।
৪ - আমি সবার সাথে কথা বলব, মুখোমুখি নয়ত ফোনে। সুবক্তা হব।
৫ - প্রতিদিনের দিনলিপি ব্লগে লিখে রাখব রাতে ঘুমাবার আগে। যত রাতই হোক দাঁত মেজে এসে সারাদিনের কথা-চিন্তা ভাবনা, আগামীকালের পরিকল্পনা লিখে ফেলে তারপর ঘুমাতে যাব, আয়োজন করে। এটাও জীবন মেয়াদী প্রতিজ্ঞা।
একজন মানুষের কিছু অভ্যাস কিছু প্রতিজ্ঞা তাকে আলাদা করে। আমার স্বভাব কেমন যেন পানির মত, অতিরিক্ত তরল, কোন আকার নেই। এক সময় সেটা নিয়ে গর্ব করেছি, কিন্তু এখন আর সেটা যুক্তিযুক্ত মনে হচ্ছে না। নিজেকে পরিচয়হীন বস্তু বোধ হচ্ছে। আমি কে? আমার বৈশিষ্ট্য কি কি? কিছুই আলাদা করতে পারছি না। আমি যেন কেবল এক্তা ফেসবুকের দাস হয়ে দিন কাটিয়েছি গত কয়েকটি বছর। দাসত্বের শিকল কখনো ভাল নয়।
আমার পরিচিতি আমি চাই একজন কর্মোদ্দীপিত মানুষ হিসেবে, যে কিনা সকল কাজের কাজি, কোন বাধাই যাকে থামাতে পারে না। যে সারাক্ষণ নান রকম উদ্যোগে নতুন কিছু সৃষ্টিতে ব্যাস্ত। এমন একজন মানুষ যাকে দেখলে অন্যরা অনুপ্রাণিত হয়। আমি এমন ছিলাম, এমন থাকব। আগে আমার বৃত্ত ছোট ছিল তাই অল্পের মাঝে সহজেই আলাদা করা যেত। এখন বিশাল বৃত্তে এসে এমন আরও অনেক মানুষের ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে বিষন্ন বোধ করছি। বড় বৃত্তে নিজেকে আলাদা করে চেনাতে হলে সেরকমই পরিশ্রম করে নিজেকে আলাদা করতে হবে। বিষন্নতা নয়। এখন তোমার সীমানা আরও অনেক বিশাল, সেটা ছুঁতে ঠিক তেমনই অধ্যাবসায় লাগবে। আর তুমি জানো তুমি লক্ষ্য ঠিক করতে পারলে তুমি একদিন না একদিন অবশ্যই সেখানে পৌঁছবে।
আমার স্বপ্নের সীমানা ছিলো intel এ চাকরি করা। সেটা পেয়ে যাওয়াতেই কি স্থবিরতা চলে এসেছে। মনে হচ্ছে এখন যা করছি সব'ই মিছে। কিন্তু এই যে ইউনিভার্সিটি, ওকরিজ এর মানুষগুলো এদের মাঝে তুমি তো এই শেষ মূহুর্তে এসে একটা বিশ্রী ভাবমূর্তি রেখে যেতে পারো না। এরা তোমার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ যাদের সাথে তুমি সারা জীবন যোগাযোগ রাখবে। তার চে' বড় কথা এখন তুমি একটা যা তা কাজ করে চলে গেলে কি সারা জীবন তুমি আফসোস করে কাটাবে? কোন ছাড় রাখবে না, কোন অনুশোচনা করার স্থান নেই এই ছোট্ট জীবনে। এক্টাই জীবন। যতগুলা সুযোগ জীবনে আসবে সবগুলোর সর্বোচ্চ সদ্বব্যাবহার করবে। So, those who knew would remember you as an idol to follow.

